• ৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৪শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

সোনাদিঘি পুকুর শীঘ্রই তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত এপ্রিল ২, ২০২১
সোনাদিঘি পুকুর শীঘ্রই তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন শহরের ঐতিহ্যবাহী সোনাদিঘী পুকুরটিকে যথাশীঘ্র সম্ভব তার হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারে একটি ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগ ও নির্দেশনায় ঐতিহাসিক এই পুকুরটিকে বাস্তবভিত্তিক একটি নান্দনিক ও আধুনিক রূপ দিতে পুকুরটিকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ এখন পুরোদমে এগিয়ে চলছে। পুকুরটি সংস্কারের পাশাপাশি এর পানিত পরিবর্তন, হাঁটারপথ, মসজিদ ও উন্মুক্ত মঞ্চ নির্মাণ এবং তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিসম্বলিত গ্রন্থাগার স্থাপনের মাধ্যমে পুকুর-কেন্দ্রিক একটি চত্বর গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে জনসাধারণ অন্ততপক্ষে তিন দিক থেকে পুকুরটি প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।
বুধবার সন্ধ্যায় মেয়র লিটন চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করে পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ এবং এর সামগ্রিক অগ্রগতি সম্পর্কে খোজ-খবর নেন।
পুকুরটির সংলগ্ন ‘সিটি সেন্টার’ নামের ১৬ তলা বিশিষ্ট সুউচ্চ একটি ভবন আরসিসি এবং এনা প্রোপার্টিজের যৌথ উদ্যোগে সরকারী- বেসরকারী অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নির্মিত হয়েছে ।
মেয়র লিটন জানান, নবনির্মিত সিটি সেন্টারটি রাজশাহীতে সবচেয়ে সুন্দর ও আধুনিক উঁচু ভবন হবে । ঐতিহাসিক এই পুকুরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উন্নয়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধন কাজগুলো বাস্তবায়িত হবে। এখানে নতুন একটি মসজিদ হবে। এখানে বসার ব্যবস্থা, হাটারপথ, খোলা জায়গা এবং রাতে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা থাকবে।
লিটন বলেন, ‘আমরা নবায়ন ও সংস্কারের মাধ্যমে পুকুরের মধ্যে স্বচ্ছ পানি সঠিকভাবে রাখার ব্যবস্থা করবো এবং সমস্ত নির্ধারিত কাজ শেষ হওয়ার মাধ্যমে পুকুরটি তার ঐতিহ্য সঠিকভাবে ফিরে পাবে।’
ঐতিহাসিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ করে তিনি বলেন, পানির সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করার আগে একসময় পুকুরটি ছিল নগরবাসীর নিরাপদ পানি সরবরাহের কেবলমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস।
তবে দুর্ভাগ্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে এটির প্রতি অবহেলা, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংস্কারের অভাবে পুকুরটির পানি পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল বলে তিনি দু:খ প্রকাশ করেন।
মেয়র লিটন বলেন, ‘২০০৮ সালের শেষ দিকে মেয়র পদ গ্রহণের পর থেকে আমি পুকুরটির ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম এবং আমার প্রতিশ্রুতি সফল হতে চলেছে । আমি বিশ্বাস করি গৃহীত পদক্ষেপটি নগরবাসীর দীর্ঘ প্রত্যাশিত আশা ও আকাঙ্খার প্রতিফলিন ঘটাবে।’

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।