• ৯ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

জকিগঞ্জে `নতুন গ্যাসকূপ’, সফলভাবে জ্বলল শিখা

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ১৫, ২০২১
জকিগঞ্জে `নতুন গ্যাসকূপ’, সফলভাবে জ্বলল শিখা
Spread the love

সিলেটের সীমান্ত উপজেলা জকিগঞ্জে একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল সোয়া ১০টায় উপজেলার আনন্দপুরে ডিএসটি (ড্রিল স্টিম টেস্ট) সৌভাগ্য শিখা জ্বালাতে সফল হয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি।

কূপটিতে মোট চার স্তরে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে বাপেক্স। সবকিছু ঠিক থাকলে এ গ্যাসকূপ বাংলাদেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, কূপটির অভ্যন্তরে চাপ রয়েছে ৬ হাজার পিএসআই (প্রতি বর্গ ইঞ্চি) ও ফ্লোটিং চাপ ১৩ হাজারের অধিক। প্রাথমিকভাবে একটি স্তরের টেস্ট চলমান।

কূপটিতে মোট চারটি স্তরে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন এই ফিল্ডটি থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে বিয়ানীবাজার ও ৪৬ কিলোমিটার দূরে গোলাপগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত।

বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এখনই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। আমরা ভালো কিছু আশা করছি। অনেক সময় পকেট থাকতে পারে। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, ভালোভাবে পর্যবেক্ষণের পর বলতে পারব। তার আগে বললে সেটি সঠিক না-ও হতে পারে।’

সম্প্রতি একটি সেমিনারে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিসুর রহমান ওই ফিল্ডটি সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘আমরা নতুন একটি ফিল্ডে সফল হতে চলেছি। সেখানে কূপের প্রেসার ৬০ হাজারের অধিক। পরীক্ষা চলছে। এটি আমাদের জন্য দারুণ সুখবর হতে পারে। আশা করছি, শিগগিরই ভালো খবর দিতে পারব।’

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ২৭টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব গ্যাসক্ষেত্রে প্রমাণিত মজুতের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ টিসিএফ, আরও ৬ টিসিএফ রয়েছে সম্ভাব্য মজুত। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৮ টিসিএফ উত্তোলন করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রমাণিত মজুত অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ টিসিএফ, সম্ভাব্য মজুত রয়েছে আরও ৭ টিএসএফের মতো।

 

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।