• ৯ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

খোঁজ মিলেছে আবু ত্ব-হার

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ১৮, ২০২১
খোঁজ মিলেছে আবু ত্ব-হার
Spread the love

প্রায় সপ্তাহখানেক পর খোঁজ মিলেছে আলোচিত বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের।

শুক্রবার (১৮ জুন) বিকেল ৩ টায় তাকে শ্বশুর বাড়ি রংপুুুর নগরের আবহাওয়া অফিস সংলগ্ন মাস্টার পাড়া থেকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

রংপুরের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে রংপুর মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ক্রাইম ডিভিশনের উপ-কমিশনার আবু মারুফ হোসেন বলেন, আবু ত্ব-হাকে পাওয়া গেছে। তিনি উদ্ধার হয়েছেন। এই মুহূর্তে এইটুকু তথ্য আছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানানো হবে।

আবু ত্ব-হার প্রতিবেশী বিপ্লব মিয়া জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ত্ব-হাকে তার শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে দেখেছেন।

তবে কোথা থেকে কখন কে তাকে উদ্ধার করেছে তা জানা যায়নি।

গত ১০ জুন দিবাগত রাত থেকে কোনো খোঁজ মিলছিল না আবু ত্বহা, তার দুই সঙ্গী ও গাড়িচালকের।

সেদিন বিকেল ৪টার দিকে তিন সঙ্গীসহ আবু ত্ব-হা রংপুর থেকে ভাড়া করা একটি গাড়িতে ঢাকায় রওনা দেন। রাতে মোবাইল ফোনে সর্বশেষ কথা হলে তিনি সাভারে যাচ্ছেন বলে তার মাকে জানান।

এরপর রাত ২টা ৩৬ মিনিটে স্ত্রী আবিদা নূরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় আদনানের। তিনি সাভার যাচ্ছেন বলে জানান। তারপর থেকেই তার ফোন বন্ধ থাকায় আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আদনানের সঙ্গে আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ছিলেন। ওই রাত থেকে তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ। পরে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শেষে তাকে না পেয়ে শুক্রবার বিকেলে রংপুর কোতোয়ালি থানায় জিডি করেন আদনানের মা আজেদা বেগম।

স্বামীকে ফিরে পেতে আবু ত্ব-হার স্ত্রী সাবেকুন নাহার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন। এছাড়াও মঙ্গলবার (১৫ জুন) সাবেকুন নাহার স্বামীকে ফিরে পেতে পুলিশ মহাপরিদর্শক ও র‌্যাবের মহাপরিচালক বরাবরও দুটি চিঠি দেন।

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।