• ৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৪শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

সুনামগঞ্জে আগুনে পুড়লো ১০ বসতঘর

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ১৮, ২০২১
সুনামগঞ্জে আগুনে পুড়লো ১০ বসতঘর

সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের টাইলা গ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বসত বাড়ি, ধানের ঘর গোয়াল ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ইতিমধ্যে পুরো গ্রামে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশংঙ্কায় সাধারন মানুষের মাঝে আতংঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার(১৭ জুন) রাত ১০ টায় টাইলা পূর্বহাটির মুক্তিযোদ্ধা মৃত মরম আলীর ছেলে বকুল মিয়ার ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। নিমিষেই পুরো হাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে গ্রামের লোকজন ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। ফলে সবার মাঝে আতংঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে বকুল মিয়ার বসত ঘর পাশের পছন্দর আলী তার প্রায় ৭০০ মন ধান পুড়ে গেছে ,সাজিদুর রহমানের ঘরসহ একশত মন, আলফাজ মিয়ার ঘরসহ প্রায় ৭ শত মন, ওয়াকিক মিয়ার ঘরসহ ৪ শতাধিক মন ধান, আব্দুর রহমান, আব্দুল মতিনের ৪ শত মন ধান পুড়ে যায়। এছাড়াও আব্দুল হাসিম, গুলজার মিয়া ও রাসেল মিয়ার ঘরসহ ১০টি ঘরবাড়ি ১৮ শত মন ধান, স্বর্ণালঙ্কারসহ সহ প্রায় দেড়কোটি টাকার মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

খবর পেয়ে জেলার দিরাই উপজেলা ফায়ার সাভির্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গেলেও সুরমা নদী পারাপারের কারণে তাদের পৌছতে কিছুটা বিলম্ব হলেও গ্রামবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটের সদস্যরা।

এ ব্যাপারে টাইলা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ মো. বকুল মিয়া জানান,গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ হওয়ার কারণে তার ঘরে প্রথমে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময়ের মধ্যেই পাশের ঘরের আরো কমপক্ষে দশটি পরিবারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে নিমিষেই আগুলের লেলিহান শিখায় সবকিছু ধবংস হয়ে গেছে। তিনি সরকার ও প্রশাসনের নিকট দাবী জানান ক্ষতিগ্রস্থদের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত দিরাই ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,নদী পারাপারের কারনে পৌছতে কিছুটা বিলম্ব হলেও এসে গ্রামবাসীর সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছেন। তবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তরা দেড়কো কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দাবি করলেও ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।