• ৯ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

ওসমানীনগরে জোড়া খুন, স্কুল শিক্ষিকা ও সহযোগীর মরদেহ উদ্ধার

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ২০, ২০২১
ওসমানীনগরে জোড়া খুন, স্কুল শিক্ষিকা ও সহযোগীর মরদেহ উদ্ধার
Spread the love

সিলেটের ওসমানীনগরে নিজ ঘর থেকে স্কুল শিক্ষিকা তপতী রানী দে (৬০) ও তার বাসার কাজের সহযোগী গৌরাঙ্গ বৈদ্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতের ঘরের বাথরুমের জানালা ভেঙে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। গোয়াইনঘাটে ‘ট্রিপল মার্ডার’র পরই এই‘জোড়া খুন’র ঘটনা ঘটলো।

পুলিশ জানায়, ওসমানীনগরে দয়ামীর ইউনিয়নের সোয়ারগাঁও এলাকার বাসিন্দা তপতী রানী দে সোয়াইরগাও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। শনিবার রাতে তপতীর স্বামী চিকিৎসক বিজয় দে ঘরে এসে দরজা বন্ধ দেখতে পান। এসময় ডাকাডাকি করলেও কেউ সাড়া দেননি। পরে পুলিশকে খবর দেন তিনি।

পরে রাত ১২টার দিকে ওসমানী নগর থানার উপ পরিদর্শক নাজমুল হুদার বাসার বাথরুমের জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে প্রবেশ করে মেঝেতে তপতী রানী দে’র গলাকাটা মরদেহ ও পাশে গৌরাঙ্গ বৈদ্যর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এসময় পুরো ঘর রক্তে ভেজা ছিলো।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তপতী রানী দে’র স্বামী ও ছেলেমেয়ে চিকিৎসক। স্বামী ও ছেলের সাথে তিনি সোয়ারগাঁও গ্রামের বাড়িতে থাকেন। শনিবার বিকেলে স্বামী ও ছেলে প্রাইভেট প্র্যাকটিসে গিয়েছিলেন। এসময় বাসায় কেবল তপতি ও গৌরাঙ্গ ছিলেন। সন্ধ্যার পর কোনো একসময়ে এ হত্যাকান্ড ঘটে।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, শিক্ষিকা তপতির স্বামী বিজয় দেব নিজের চেম্বার থেকে রাত ১১টার দিকে ফিরে বসত ঘরের দরজা বন্ধ পাওয়ায় স্ত্রীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া শব্দ পান নি। পরে পুলিশকে খবর দিলে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে শিক্ষিকা তপতীর লাশ উদ্ধার করি। এ সময় বসত ঘরে গালায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় কাজের ছেলে গৌরাঙ্গেরও লাশ উদ্ধার করি। শিক্ষিকা তপতীকে কে বা কারা কি কারণে কুপিয়ে হত্যা করেছে সে ব্যাপারে তাৎক্ষনিক কিছু জানা যায়নি।

 

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।