• ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

কিশোর মামুন হত্যা মামলায় মালিক-কর্মচারী গ্রেফতার

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ২৩, ২০২১
কিশোর মামুন হত্যা মামলায় মালিক-কর্মচারী গ্রেফতার

সৃনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে কিশোর মামুন আলী (১০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল মালিক ঘাতক আশ্রব আলী (৪৫) ও কর্মচারী আমজদ আলী (২২) শুক্রবার বিকালে সুনামগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

ঘাতক আশ্রব আলী সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের পুত্র এবং অপর আসামি আমজদ আলী দোয়ারাবাজারের নরসিংপুর ইউনিয়নের দোয়ারাগাঁও গ্রামের আবেদ আলীর পুত্র।

শুক্রবার নিহতের মা রুপিয়া বেগম বাদী হয়ে হোটেল মালিক আশ্রব আলীকে প্রধান আসামি করে হোটেল কর্মচারী আমজদ আলী গংয়ের বিরুদ্ধে দোয়ারাবাজার থানায় ফৌজদারী কার্যবিধি ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা (নং ১০) দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার ঈদের দিন সকালে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের বালিউরা বাজারস্থ আশ্রব আলীর হোটেলের রান্নাঘর থেকে কিশোর মামুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল রিপোর্টে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোড়ার (আগুনে ছ্যাঁকার)দাগ রয়েছে। নিহত মামুন একই উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের গোজাউড়া গ্রামের বিল্লাল হোসেনের পুত্র। ওই বাজারে একটি ভাড়াটে ঘরে স্ত্রী-সন্তানসহ দীর্ঘদিন ধরে কাঁচামালের ব্যবসা করছেন বিল্লাল হোসেন। নিখোঁজের দুদিন পর ঈদের দিন বুধবার সকালে ওই হোটেলের বুয়া (পরিচ্ছন্নতাকর্মী) জয়তুন নেছা দুদিন বন্ধ থাকা ওই হোটেলের দরজার তালা খুলে রান্নাঘর পরিস্কার করতে গিয়ে মেঝেতে মামুনের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

এ ব্যাপারে শুক্রবার সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজার থানার ওসি দেবদুলাল ধর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কিশোর মামুন হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া হোটেল মালিক আশ্রব আলী ও কর্মচারী আমজদ আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান চলছে।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।