• ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৬ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

সিলেটে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ২৬, ২০২১
সিলেটে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

সিলেট বিভাগে আগের সকল রেকর্ড ভেঙে একদিনে ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাস কেড়ে নিয়েছে ১৪ জনের প্রাণ। রোববার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে সোমবার (২৬ জুলাই) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ সংখ্যক এই ১৪ জনের মৃত্যু ঘটে।

এর মধ্যে শুধু সিলেট জেলার ১০ জন। বাকি ৪ জনের মধ্যে ৩ জন সুনামগঞ্জ ও একজন হবিগঞ্জ জেলার। সোমবার দুপুর সোয়া ১২টায় প্রেরিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এই ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৫৬৪ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সিলেট জেলার ২০৮ জন, সিলেট ওসমানী হাসপাতালের ৪১ জন, সুনামগঞ্জ জেলার ১০৭ জন, হবিগঞ্জ জেলার ১৪৬ জন ও মৌলভীবাজার জেলার ৬২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টার ১৪ জনকে নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এ পর্যন্ত মোট ৬৩১ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ৫০১ জন, সুনামগঞ্জের ৪৭ জন, হবিগঞ্জের ২৯ জন এবং মৌলভীবাজারের রয়েছেন ৫৩ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের মধ্যে সিলেট জেলায় ৩২ জন, সুনামগঞ্জ জেলায় ৮, হবিগঞ্জ জেলায় ১ ও মৌলভীবাজার জেলায় ২ জন করোনা রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়াও সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৪ জন।

চার জেলায় বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩৭৯ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ২৬৩ জন, সুনামগঞ্জে ৫৬ জন, হবিগঞ্জে জেলার ৩০ জন ও মৌলভীবাজারে ৩০ জন।

সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেটে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪২৪ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ২৫৭, সুনামগঞ্জে ৬৫, হবিগঞ্জে ৩৫ ও মৌলভীবাজারে ২৮ জন। এছাড়াও সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি থাকা ৩৯ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। জন।

এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে ৩৬ হাজার ২১০ জন। অন্যদিকে, সিলেট বিভাগে করোনামুক্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪৩ জন।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।