বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকালে সিলেট নগরীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মরহুমার জানাযার নামাজ বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের পর গহরপুর মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন মরহুমার নাতি ও গহরপুর মাদরাসার নায়েবে নাজিম (সহকারী শিক্ষাসচিব) মাওলানা ইশফাক শাফি।

তিনি জানান, আল্লামা নুর উদ্দীন আহমদ রাহ. -এর সহধর্মিনী জাহানারা বেগম অনেকদিন যাবত কিডনি ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ৩ দিন আগে সিলেট নগরীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে হাসপাতালেই বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের সময় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি ২ মেয়ে ও ১ ছেলে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য, উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ হাদিস বিশারদ শায়খুল হাদিস আল্লামা নুর উদ্দীন আহমদ গহরপুরী (রাহ.) ২০০৫ সালের ২৬ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। গহরপুরী (রাহ.) ১৯২৪ সালে সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলার গহরপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত দ্বিনি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিনি অগাদ ইলিম ও অনুপম আদর্শের কারণে জীবদ্দশায় তিনি অনন্য উচ্চতায় আসীন হন।

১৯৫৭ সালে শায়খুল হাদিস আল্লামা নুর উদ্দীন আহমদ গহরপুরী বালাগঞ্জের গহরপুরে জামিয়া ইসলামিয়া হুসাইনিয়া নামে দ্বিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন।  গহরপুরী রাহ. এর ইন্তেকালের পর থেকে তাঁর সুযোগ্য সন্তান মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু জামেয়ার মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৭০ সালে আল্লামা গহরপুরি রাহ. জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের পক্ষ থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসে আরাবিয়্যাহ’র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি।