• ৯ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

সিলেটে প্রস্তাবিত ৯টি টিকাদান কেন্দ্র আপাতত হচ্ছে না

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ১, ২০২১
সিলেটে প্রস্তাবিত ৯টি টিকাদান কেন্দ্র আপাতত হচ্ছে না
Spread the love

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ভয়াবহতার মধ্যে সিলেটে টিকা প্রার্থীর সংখ্যা বাড়লেও টিকা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ছে না আপাতত। সিলেপট সিটি কর্পোরেশনে ৯টি টিকাদানকেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাবে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম সুমন।

জানা গেছে, বর্তমানে সিলেট মহানগরীতে টিকাদানকেন্দ্র আছে দুটি। একটি এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, অপরটি বিভাগীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে। এসব কেন্দ্রে ১০টি বুথের মাধ্যমে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিদিন টিকা পেতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় করছেন সিটি করপোরেশনের (সিসিক) কেন্দ্রগুলোতে।

ফলে দুটি কেন্দ্রের মাধ্যমে টিকাপ্রদানে বেগ পোহাতে হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। কেন্দ্রের বাইরে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ সারি। ফলে টিকাগ্রহীতারা পোহাচ্ছেন দুর্ভোগ। এছাড়া বিপুল সংখ্যক টিকাগ্রহীতা জড়ো হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধিও উপেক্ষিত হয়ে পড়ে।যার প্রেক্ষিতে ৯টি কেন্দ্র বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছিল সিসিক। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে এসব কেন্দ্রের বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম সুমন।

তিনি বলেন, আপাতত এই ৯টি কেন্দ্র সম্ভবত হচ্ছে না। আমরা যদ্দুর জেনেছি, ৭ আগস্ট থেকে সারাদেশে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত টিকাদান শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যদি তা বাস্তবায়ন করা হয়, তবে সিলেট নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে টিকাকেন্দ্র হবে। ২৭টি ওয়ার্ডে ন্যুনতম একটি, কোনো কোনোটিতে একাধিক কেন্দ্র হতে পারে। সাথে ওসমানী হাসপাতাল, পুলিশ লাইন্স কেন্দ্রগুলোও চলমান থাকবে

নগরীতে যে ৯টি টিকাদানকেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব স্বাস্থ্য অধিদফতরে পাঠায় সিসিক  সেগুলো হলো- নগর ভবন, মাতৃমঙ্গল হাসপাতাল, ধোপাদিঘীর উত্তর পাড় বিনোদিনী নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বাগবাড়ি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, আখালিয়া বীরেশ চন্দ্র নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কাজীটুলা সূর্যের হাসি ক্লিনিক, টিলাগড় সূর্যের হাসি ক্লিনিক, শাহজালাল উপশহর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কদমতলী নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র।

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।