• ২৮শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৫শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

চাকরির জন্য এসে লাশ হলেন যুবক!

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ৫, ২০২১
চাকরির জন্য এসে লাশ হলেন যুবক!
Spread the love

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌর এলাকার আক্রমপুর এলাকায় গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় বিজয় গোপ (২০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মৃত প্রবোধ গোপের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) সকালে নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ সড়কস্থ আক্রমপুর এলাকায় নবীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র ১ জায়েদ চৌধুরীর দোকান থেকে নবীগঞ্জ থানার এসআই অমিতাভ তালুকদার উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে যান।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে বিজয় গোপ নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ সড়কস্থ আক্রমপুর এলাকায় প্যানেল মেয়র ১ জায়েদ চৌধুরীর দোকানে কাজের সন্ধানে আসে। দোকান কর্মচারীরা মালিকের অজান্তেই তার কাজ দেখানোর জন্য থাকতে বলেন এবং বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিষ্ঠানের মালিক জায়েদ চৌধুরীর সাথে আলোচনা করে তার বেতন নির্ধারণ করে রাখা হবে মর্মে জানান। এতে বিজয় সম্মতি দিয়ে থেকে যায়। রাতে খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়ে। প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবার সকালে অন্যান্য কর্মচারীরা দোকানে গিয়ে ঘরের দরজা খোলা দেখে সন্দেহ হয়। পরে তারা স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে গলায় ফাঁস লাগানো লাশ দেখতে পায়। তখন স্থানীয়ারা নবীগঞ্জ থানায় খবর দেয়।

দোকানের স্বত্বাধিকারী নবীগঞ্জ পৌর প্যানেল মেয়র ১ জায়েদ চৌধুরী সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার অজান্তে আমার দোকানের কর্মচারী চিত্তরঞ্জন গতকাল বুধবার দোকানে কাজের জন্য এবং দুই-তিনদিন দেখার পরে মালিকের সাথে কথা বলে বেতন নির্ধারণ করে দোকানের কর্মচারী হিসেবে রাখার জন্য আশ্বাস দেয়। আমি ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসিকে খবর দেই।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ডালিম আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।