• ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি

সিলেটে গণটিকা নিতে উপচে পড়া ভিড়

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ৯, ২০২১
সিলেটে গণটিকা নিতে উপচে পড়া ভিড়

সারা দেশে শনিবার একদিন গণটিকাদান হলেও সিলেট নগরীতে শনি, রবি সোমবার তিনদিন ব্যাপী চলছে গণটিাদান কর্মসূচী। আজ টানা তৃতীয় দিনের মত নগরের ২৭ ওয়ার্ডের ৮১টি কেন্দ্রে চলছে টিকাদান।

অন্যান্য দিনের মত আজ সোমবার সকাল থেকে টিকা নিতে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে আছেন হাজার হাজার মানুষ।নগরের কেন্দ্রে কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।তবে কোনও কেন্দ্রেই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনও দৃশ্য দেখা যায়নি।

কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটা ওয়ার্ডে কেন্দ্রেগুলোতে  টিকা নিতে সকাল থেকে মানুষ আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে টিকা গ্রহীতার সংখ্যা। এক পর্যায়ে কেন্দ্র ছাড়িয়ে টিকা গ্রহীতার লাইন আধা থেকে এক কিলোমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। ঘটছে হাজার হাজার মানুষের সমাগম।  তবে সেখানে স্বাস্থ্যবিধি ছিলে উপেক্ষিত।

টিকাপ্রার্থী সুমন আহমদ বলেন, সকালে টিকা কেন্দ্রে এসে লাইনে দাড়িয়ে আছি। মা্নুষ অযথা জটলা করছেন, লাইনে একে অপরের গা ঘেঁষে রয়েছেন। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে সবাই উদাসীন। এতে সংক্রমনের আশংকা বেড়ে যাচ্ছে। তবে গণটিকাদান কর্মসূচিতে মানুষের ব্যাপক সাড়া ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন বর্তমানে এমন ভিড় সামলে সবাইকে টিকা দিতে না পারলেও দ্রুত সকলের টিকার ব্যবস্থা করাটা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি নেই। তবে মানুষের চেয়ে টিকা কম। সরকারের নির্দেশনা মতে প্রতিটি কেন্দ্রে ২০০ থেকে ২৫০ জনকে টিকা দেওয়ার কথা। কিন্তু আমরা শনিবার প্রতিটি কেন্দ্রে ৩০০ জনকে টিকা দিয়েছি। রোববারও ২০০ জনকে দেওয়ার কথা থাকলেও ৩০০ জনকে দিয়ে সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি। কেননা দ্বিধা সংশয় কাটিয়ে টিকার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকলকেই টিকা দেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।