• ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৪শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

করোনায় এত মৃত্যু দেখেনি সিলেট

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ১১, ২০২১
করোনায় এত মৃত্যু দেখেনি সিলেট
Spread the love

আগের সকল রেকর্ড গুড়িয়ে সিলেটে মহামারি করোনাভাইরাসে চব্বিশ ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আরো ৫৫৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদেরকে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় থেকে আজ বুধবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে সিলেটজুড়ে করোনাক্রান্ত ২২ জন মারা গেছেন। তন্মধ্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জনসহ সিলেট জেলাতেই মারা গেছেন ১৯ জন। হবিগঞ্জে ২ জন ও মৌলভীবাজারের একজনের মৃত্যু হয়েছে।

চব্বিশ ঘন্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর এটাই নতুন রেকর্ড। এর আগে গত ৩ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে ৪ আগস্ট সকাল ৮টার মধ্যে ২০ জন মারা গিয়েছিলেন সিলেটে।

সবমিলিয়ে সিলেট বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা এখন ৮৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৭ জনসহ সিলেট জেলাতে মারা গেছেন ৬৭৭ জন। সুনামগঞ্জের ৫৯ জন, মৌলভীবাজারের ৬৬ জন  ও হবিগঞ্জের ৪২ জন মারা গেছেন।

এদিকে, সর্বশেষ চব্বিশ ঘন্টায় সিলেট বিভাগে ৫৫৭ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ১৯১৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে তাদেরকে শনাক্ত করা হয়। শনাক্তের হার ২৯.০৬ ভাগ। শনাক্তদের মধ্যে সিলেট জেলায় ৩১৯ জন, সুনামগঞ্জের ৬৩ জন, মৌলভীবাজারের ১১৪ জন ও হবিগঞ্জের ৬১ জন রয়েছেন।

তাদের নিয়ে বিভাগে করোনাক্রান্তের সংখ্যা এখন ৪৭ হাজার ১১ জন। তন্মধ্যে ওসমানী হাসপাতালে ৩৯১১ জনসহ সিলেট জেলায় শনাক্ত হয়েছেন ২৯ হাজার ১২২ জন। শনাক্তদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ৫ হাজার ৪৭৫ জন, মৌলভীবাজারের ৬ হাজার ৭৩০ জন ও হবিগঞ্জের ৫ হাজার ৬৮৪ জন রয়েছেন।

সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হিমাংশু লাল রায় জানান, সর্বশেষ চব্বিশ ঘন্টায় বিভাগে ৭১৫ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে ৪৬৯ জন করোনা রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।