• ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি

পরীমনিরা যেসব বলেন, এগুলো বললে এরা তো বোরকা পরারও সময় পাবে না: গয়েশ্বর

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ১১, ২০২১
পরীমনিরা যেসব বলেন, এগুলো বললে এরা তো বোরকা পরারও সময় পাবে না: গয়েশ্বর

সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় বলেছেন, যেসব কথা পরীমনিরা বলেন, এসব কথা বললে এরা তো বোরকা পরারও সময় পাবে না।  এই সরকারের এমনও লোক আছে, এরা বোরকা মুরো দেওয়ারও সময় পাবে না।

বুধবার দুপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে আর্তমানবতার সেবায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ থানা বিএনপির উদ্যোগে  করোনা হেল্প সেন্টার  উদ্বোধন ও সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর রায় বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে কী আন্দোলন করব? আমি বললাম, এই সরকার ভেন্টিলেশনে রয়েছে।  এই ভেন্টিলেশনটা খুলে গেলে সরকার আর থাকবে না।  ওরা আতঙ্কে রয়েছে।  ওদের প্রাপ্তির কোনো বিষয় নেই।  ওদের হারানোর কিছু নেই।  সর্বহারার হারানোর কিছু আছে? যদি আমাদের হারানোর থাকে হয়তো পরনের কাপড়টা হারানোর আছে, কিন্তু ওদের হারানোর কিছু নেই।

সংকটে বিএনপি জনগণের পাশে আছে জানিয়ে এই নেতা বলেন, প্রতিটা সংকটকালে আমরা গরিব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।  সেটে ঈদ বলেন, পূজা বলেন বা যেকোনো উৎসবে।  কারণ আমরা রাজনীতি করি জনগণের জন্য।  রাজনীতি মানেই হলো জনসেবা, যা নিঃস্বার্থ করতে হয়।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রয়োজনে একাধিক হেল্প সেন্টার খুলতে হবে।  ওষুধ বিতরণের ক্ষেত্রে ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।  বিনা পরামর্শে কাউকে ওষুধ দিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যাবে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণের সভাপতি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুন রায়চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী,স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন মাস্টার, কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।