• ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম শহরের নিয়ন্ত্রণ নিল তালেবান

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ১৩, ২০২১
আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম শহরের নিয়ন্ত্রণ নিল তালেবান
Spread the love

আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহার এবং তৃতীয় বৃহত্তম শহর হেরাতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে তালেবান।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানায়।

মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, বৃহস্পতিবার এ দুটি শহরের দখল নেয় তালেবান। বর্তমানে আফগানিস্তানের ৩৪ প্রদেশের মধ্যে ১২টির রাজধানীর দখল নিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।

হেরাতের স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিকের বরাত দিয়ে আলজাজিরা বলছে, আফগানিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম শহর হেরাতের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান।

গণমাধ্যমটি বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলেছে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য। তারা প্রায় সবাই একই কথা বলেছেন। তাদের কথা অনুযায়ী, হেরাতের সব সড়কেই অবস্থান জোরদার করেছে তালেবান। তারা সরকারি সব অফিস দখলে নিয়েছে এবং সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর কাউকে দেখা যায়নি।

স্থানীয় সাংবাদিকদের বরাতে খবরে বলা হয়, তালেবান কারাগার থেকে বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে।

এদিকে তালেবানের এক মুখপাত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যমটি জানায়, তালেবান আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহারও দখলে নিয়েছে।

তালেবানের ওই মুখপাত্র বলেন, কান্দাহার সম্পূর্ণভাবে জয় করা হয়েছে। আমাদের যোদ্ধারা শহরের শহীদ চত্বরে পৌঁছেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানাচ্ছে, তালেবান কান্দাহারের গভর্নর অফিসসহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।  গভর্নর এবং অন্য সরকারি কর্মকর্তারা পালিয়েছেন।

এর আগে কান্দাহারের কেন্দ্রীয় জেল ভেঙে ‘শত শত’ বন্দিকে ছেড়ে দিয়েছিল তালেবান।

আফগানিস্তানে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার মধ্যে তালেবানকে সরকার ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য প্রস্তাব দেওয়ার পর এ দুটি প্রাদেশিক রাজধানী নিয়ন্ত্রণে নিল সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।

দীর্ঘ ২০ বছর পর আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।  আগস্টেই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শেষ করবে দেশটি। এর মধ্যেই তালেবান দেশের প্রায় অর্ধেকের বেশি জেলার দখল নিয়ে নিয়েছে। দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই চলছে সংঘাত।

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।