• ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

বাড়ি ফিরেছে দক্ষিণ সুরমার ‘নিখোঁজ’ ৩ মাদরাসা ছাত্র

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ২৬, ২০২১
বাড়ি ফিরেছে দক্ষিণ সুরমার ‘নিখোঁজ’ ৩ মাদরাসা ছাত্র

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার জালালপুরের ‘নিখোঁজ’ তিন মাদ্রাসাছাত্র বাড়ি ফিরেছে। ৩ দিন আগে পুলিশের চেষ্টায় তারা নিজ বাড়িতে ফেরে।

এর আগে গত ৩ আগস্ট তারা রাগ করে একসঙ্গে মাদরাসা থেকে পালিয়ে যান এবং কেরানীগঞ্জের একটি হোটেলে তারা ওয়েটারের কাজ করেন। এতদিন তারা সেই হোটেলেই ছিলেন।

একসঙ্গে ‘নিখোঁজ’ হওয়া এই ৩ ছাত্র হচ্ছে- সাজ্জাদ মিয়া (১৬) রোহান আহমেদ (১৭), নাহিম আহমেদ (১৫)। এই তিনজন দক্ষিণ সুরমার জালালপুর এলাকার আল্লামা আব্দুল মুকিত মঞ্জলালী একাডেমির হিফজ শাখার ছাত্র। তাদের বাড়ি ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

জানা যায়, তিনজনের মধ্যে সাজ্জাদ ও নাইম ৩ আগস্ট মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু গত ৭ আগস্ট মাদ্রাসায় ফোন দিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, তারা মাদ্রাসায় যায়নি। রোহান নামের আরেক মাদ্রাসাছাত্রও ওইদনি নিখোঁজ হয় বলে জানা যায়। পরবর্তীতে নিখোঁজ কিশোরদের পরিবারের সদস্যরা তাদের আত্মীয় স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করেন। সেখানেও তাদের খুঁজে পাওয়া না গেলে তারা থানায় যোগাযোগ করেন।

গত ৮ আগস্ট সাজ্জাদ মিয়ার বোন দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি-৩৩০) করেন। কয়েকদিন আগে এই তিনজন নিজে থেকেই তাদের বাড়িতে ফোন দিয়ে নিজেদের অবস্থান এবং মাদরাসায় পড়ার ভয়ে তারা পালিয়ে যায় বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ওরা কিছুদিন আগে তাদের বাড়িতে ফোন করে বলে- মাদরাসায় পড়ার ভয়ে ৩ জন একসঙ্গে পালিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে কেরানীগঞ্জের একটি হোটেলে ওয়েটারের চাকরি নেয়। পরে কেরানীগঞ্জের থানাপুলিশের সহায়তায় তাদের মোবাইল ফোনের অবস্থান চিহ্নিত করে তাদের উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে এস মোগলাবাজার ও দক্ষিণ সুরমার থানার পুলিশ। ৩ দিন আগে তারা বাড়ি ফেরে।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।