• ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি

হবিগঞ্জে প্রেমিকার যন্ত্রণায় ব্যাংক কর্মকর্তার আত্মহত্যা

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ২৮, ২০২১
হবিগঞ্জে প্রেমিকার যন্ত্রণায় ব্যাংক কর্মকর্তার আত্মহত্যা

গ্রামীণ ব্যাংক হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ শাখার সিনিয়র ম্যানেজার শেখর কান্তি পাল (৪৫)। প্রেমিকার যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে অবশেষে যিনি বেছে নিয়েছেন আত্মহত্যার পথ। যা তিনি মৃত্যুর পুর্বে লিখে গিয়েছেন একটি চিরকুটে। চিরকুটে তিনি লিখেছেন- আমি জানুর যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে পড়েছি। তাই আমি আত্মহত্যার পথ বেচে নিয়েছি।

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রেমিকা ঝুনা আক্তার ওরফে জানুকে (৩০) গ্রেফাতার করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় জানুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এর পুর্বে ভোর রাতে জানুকে শায়েস্তাগঞ্জের নতুন ব্রীজ এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জানু আক্তার চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা গ্রামের জাহির মিয়ার কন্যা। মৃত শেখর কান্তি পাল মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার বরমচানপুর গ্রামের মৃত শংকর লাল পালের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নবীগঞ্জ পৌর এলাকার হলিমপুরের একটি বাসা থেকে শেখর কান্তি পালের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সুরতহাল শেষে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়। শুক্রবার ময়না তদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর করা হয় তার পরিবারের কাছে। এ ঘটনায় মৃত শেখর কান্তি পালের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা শিপ্রা রাণী পাল বাদি হয়ে জানু আক্তারকে প্রধান আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে নবীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এর পরপরই জানুকে গ্রেফতার করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রায় ১ বছর পুর্বে চুনারুঘাট শাখা অফিসে থাকাকালীন সময়ে জানু আক্তার (৩০) এর সাথে পরিচয় হয় ওই ব্যাংক কর্মকর্তার। এই পরিচয়ের সুবাদে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তিনি বদলী হয়ে নবীগঞ্জ শাখায় চলে যান। তারপরও ওই নারী তার পিছু ছাড়েনি। প্রায়ই টাকা পয়সার জন্য তাকে চাপ দিতো। আর এ কারণেই তিনি যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে আত্মহত্যা করেন।

এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসি ডালিম আহমেদ জানান, শেখর কান্তির পকেট থেকে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। এতে লেখা আছে জানুর যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেঁছে নিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।