• ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

কিডনি দিয়ে বড় ভাইয়ের জীবন বাঁচালেন ছোট ভাই

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
কিডনি দিয়ে বড় ভাইয়ের জীবন বাঁচালেন ছোট ভাই

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বড় ভাইকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিলেন আপন ছোট ভাই।

গত বুধবার সফল অস্ত্রোপচার শেষে তারা দুই ভাই বর্তমানে ঢাকার কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভাইয়ের জন্য ভাইয়ের এমন দৃষ্টান্ত স্থাপনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ভালিশ্রী গ্রামের মরহুম জহির আলীর তিন পুত্র। এরমধ্যে বড় ছেলে যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। দ্বিতীয় ছেলে কোরআনে হাফিজ রুহুল আমিন পরিবারের কাজকর্ম করতেন। আর ছোট ছেলে সোয়েব আহমদ সিলেটের মদন মোহন কলেজের অনার্স ২য় বর্ষ শিক্ষার্থী।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গেল বছর হাফিজ রুহুল আমিনের হঠাৎ করে বুকের মধ্যে ব্যথা অনুভব হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষানিরীক্ষা করে কিডনিজনিত সমস্যা ধরা পড়ে। পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়ে গত ৭ মাস ধরে ঢাকার কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। চিকিৎসকরা তার ২ টি কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে যত দ্রুত সম্ভব রুহুল আমিনকে কিডনি প্রতিস্থাপনের করার কথাও বলেন।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আপন ছোট ভাই সোয়েব আহমদ বড় ভাইকে বাঁচাতে পাশে দাঁড়াযন। স্বেচ্ছায় কিডনি দিতে জানায় সোয়েব। গত বুধবার পরিবারের সকলের মতামতে ঢাকার কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে তাদের অস্ত্রোপচার করা হয়। ওই দিন বিকেল ৩ টার দিকে তাদের অস্ত্রোপচার শুরু হয়। ৪ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে তারা দুই ভাই সুস্থ রয়েছেন।

কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করে সোয়েবের ভগ্নীপতি কাজি আহমদ বলেন, অপারেশনের পর এখন তারা সুস্থ রয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।