• ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

‘নিখোঁজ’ সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপকের খোঁজ জানাল পুলিশ

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
‘নিখোঁজ’ সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপকের খোঁজ জানাল পুলিশ

সিলেট গ্যাস ফিল্ডসের ক্যাশ ও ব্যাংকিং শাখার ব্যবস্থাপক মো. শাহে আলম (৪৬) বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশে বের হয়ে আর ফেরেননি। শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা রাতে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, শাহে আলম নিখোঁজ নন, তিনি লঞ্চে করে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।

শাহে আলমের পরিবারের সদস্যরা জানান, বাজার করার উদ্দেশ্যে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে গ্যাস ফিল্ডের গাড়ি দিয়ে তিনি জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল থেকে নগরীর শাহপরান থানা এলাকার বটেশ্বর বাজারে যান। সেখান থেকে তার বাড়িতে ফেরার কথা থাকলেও না ফেরায় শাহপরান থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শাহে আলমের স্ত্রী মোবারেকা সুরভী থানায় সাধারণ ডায়েরি করে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। ডায়েরি করার পর পুলিশ বটেশ্বর এলাকায় যেখান থেকে শাহে আলম নিখোঁজ হয়েছেন, সেখানের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে। এরপর বরিশালগামী একটি লঞ্চে তার অবস্থান পাওয়া যায়।

শুক্রবার বিকেলে শাহে আলমের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, বটেশ্বর বাজারে নেমে তিনি গাড়িটি ফেরত পাঠিয়ে দেন। এর পর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। নিখোঁজের বিষয়টি ইতিমধ্যে তাদের বাড়িসহ বিভিন্ন জেলায় আত্মীয়দের অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু দুপুর থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় তারা দুশ্চিন্তার মধ্যে আছেন।

মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, শাহ আলমের পরিবার জিডি করার পর আমরা তদন্তে নামি। সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে মো. শাহে আলমের উপস্থিতি দেখা গেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, বটেশ্বর বাজারের সামনে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক দিয়ে জাফলং থেকে ছেড়ে আসা একটি বাসকে তিনি দুই হাতের ইশারায় থামান। এরপর তিনি ওই বাসে উঠেছেন। বাসটি জাফলং থেকে সিলেটমুখী ছিল। তিনি বলেন, সর্বশেষ আমরা শুক্রবার রাতে খোঁজ পেয়েছি শাহ আলম লঞ্চে করে ভোলায় নিজের গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন।

ওসি বলেন, শাহে আলমের গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায়। তিনি হঠাৎ করে বাড়ি উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এ সময় তার মোবাইল ফোনে চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া বিষয়টি তার পরিবারকে জানাতে পারেননি। তাই পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়রি করা হয়। শাহে আলম কিছুটা মানসিক দুশ্চিন্তায় ভূগছেন বলে জানান ওসি।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।