• ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

সিলেটে দুই বোনের জোড়া লাশ : থানায় মামলা, ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
সিলেটে দুই বোনের জোড়া লাশ : থানায় মামলা, ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

সিলেট নগরীর মজুমদারিতে বাসার ছাদ থেকে দুই বোনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এসএমপির এয়ারপোর্ট থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

অপরদিকে, নিহত দুই বোনের মা ও দুই ভাইকে বুধবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। বিষয়টি জানিয়েছেন এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির।

গত মঙ্গলবার ভোরে নগরীর মজুমদারি কোনাপাড়া ৩১ নম্বর বাসার ছাদ থেকে দুই বোনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন, মজুমদারি এলাকার মৃত কলিম উল্লার মেয়ে রানী বেগম (৩৮) ও ছোট বোন ফাতেমা বেগম (২৭)। তাদের মরদেহ ওই বাসার ছাদের একই পিলারের আলাদা দুটি রডে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছিলো।

মঙ্গলবার বিকেলে ময়নাতদন্তের পর রাত ১০টার দিকে মজুমদারিতে মৃত দুই বোনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে হযরত মানিকপীর (রহ.) গোরস্তানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। জানাযায় তাদের আত্মীয় স্বজন ছাড়াও এলাকাবাসী অংশ নেন।

এদিকে, একসাথে দুই বোন আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। এই ঘটনার নেপথ্যে সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধও থাকতে পারে বলে স্থানীয় অনেকের মন্তব্য।

স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওই পরিবারে হরহামেশা ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

রানী ও ফাতেমার লাশ উদ্ধারের পর তাদের ভাই শেখ রাজন বলেন, বিয়ের আলাপ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ‘রাগ ও ক্ষোভ’ থেকে তার বোনেরা হত্যার পথ বেছে নিতে পারেন। রানী ও ফাতেমা ঘরে দরজা লাগিয়ে শুধু ক্রাইম পেট্রোলসহ বিদেশি টিভি চ্যানেলের সিরিয়ালগুলো দেখতেন বলেও জানান রাজন।তবে, প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে রহস্যজট অনেকটা খুলে যাবে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। তবে নিহত দুই বোনো মা ও দুই ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।