• ৯ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

’দেশে করোনার টিকার কোন সংকট নেই’

প্রিয় সিলেট ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ২৩, ২০২১
Spread the love

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের দেশে কোভিড ম্যানেজমেন্ট খুব ভাল হয়েছে। আমরা টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন কিনে মানুষকে বিনে পয়সায় তা দিচ্ছি। শুরুতেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন করোনা টেস্ট ও ভ্যাকসিন দেশের মানুষকে বিনামূল্যে দিবেন। এখনো এটা চলমান আছে।।’

করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন কুটনীতিতে সফলতায় শনিবার সকালে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবর্ধনার জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এ কথা বলেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনার টিকার কোন সংকট নেই। বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা আসছে। দেশেও টিকা উৎপাদনের প্রস্তুতি চলছে। দেশের ২৫ বছরের উপরের জনসংখ্যার প্রায় ৭০ ভাগকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

ভ্যাকসিন আমদানি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রথমে ভারত থেকে ভ্যাকসিন আমদানি শুরু করি। কারণ ভারতের ভ্যাকনিস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত। পরবর্তীতে সেখানে অতিমারি বেড়ে যাওয়ায় তারা ভ্যাকসিন দেয়া স্থগিত রাখে। এই অবস্থায় আমরা চীন থেকে ভ্যাকসিন আমদানির সিদ্ধান্ত নেই। চীন ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য প্রথমেই আমাদের কাছে এসেছিল। কিন্তু আমাদের চিকিৎসকরা তাতে আগ্রহ দেখাননি। কিন্তু ভারত ভ্যাকসিন দেয়া স্থগিত রাখায় আমরা অসুবিধায় পড়ে চীন থেকে আমদানির পরিকল্পনা নেই। চীনও জানায় তারা তাদের দেশের ভেতরে ও বাইরে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছে। তাদের ভ্যাকসিনে কোন সমস্যা হচ্ছে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন স্বাপেক্ষে চীন থেকে আমদানি শুরু হয়।’

বর্তমানে দেশে ভ্যাকসিনের কোন সংকট নেই জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় বলছে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ ভাগকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। কিন্তু আমার হিসেবে তা আরও অনেক বেশি। দেশে ১৬০ মিলিয়ন মানুষের মধ্যে ৮০ মিলিয়নের বয় ২৫ বছরের নিচে। আমাদের প্রথম টার্গেট তাদেরকে টিকা দেয়া। ইতোমধ্যে ২৫ বছরের উপরের ৭০ ভাগ মানুষকে টিকা দেয়া সম্ভব হয়েছে।’

মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত দেশে যে ২৭ হাজার মানুষ করোনায় মারা গেছেন তাদের মধ্যে মাত্র ৪ জন ২৫ বছরের নিচে। তারা এমনিতেই ইম্যুনেটেড।

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ছামির মাহমুদের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিটি কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।

প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে ট্রাকচাপায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচজন হলেন জৈন্তাপুরের নিজপাট রুপচেন গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী সাবিয়া বেগম (৪০), সাবিয়ার মেয়ে সাকিয়া বেগম (৪), তিন মাস বয়সী ছেলে তাহমিদ হোসেন, ননদ হাবিবুন নেছা (৩৮) ও একই গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হোসেন আহমদ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত সাবিয়ার দেবর জাকারিয়া আহমদ (৪২) ও তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০)। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারসূত্র জানায়, যাত্রীবাহী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহাসড়কে উঠলে সিলেট থেকে তামাবিলগামী একটি ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত জাকারিয়া আহমদ বলেন, আজ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি থানায় নেওয়া হয়েছে।