২১শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
৮ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১২ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

ব্যর্থতায় বেসামাল বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

প্রিয় সিলেট
প্রকাশিত ২৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার, ২০২৪ ১৭:০৯:১৬
ব্যর্থতায় বেসামাল বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

অনলাইনডেস্ক:আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচারের ভাঙা রেকর্ড শুনতে শুনতে কান ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। এখন তাদের গলার জোর একটু কমে গেছে। আন্দোলনে ব্যর্থতা, নির্বাচনে না আসার ব্যর্থতা তাদের বেসামাল ও বেপরোয়া করেছে।মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখন বিএনপির কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। কারণ, তারা বলেছিল নির্বাচন হবে না। নির্বাচন হলে পাঁচদিনও টিকবে না। তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যা চায়, সেই চাওয়াটা পাওয়া হয়নি। তারা শুনতে চেয়েছিল সরকারের ওপরে নিষেধাজ্ঞা আসবে। ভীসানীতি আরোপ হবে-এমন স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে গেছে। কিন্তু তারা তাদের কথা বলেছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।তিনি বলেন, আমরা বিদেশি বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। তবে বন্ধুর পরিবর্তে যারা প্রভুর ভূমিকায় আসতে চায়, সেই প্রভুর দাসত্ব আমরা মানি না।ওবায়দুল কাদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সর্বশেষ সফরেও তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। তারা শেষ কথা যা বলেছে, তাতে বিএনপির আশাবাদী হওয়ার মতো কিছু নেই। সরকার পতন, ব্যর্থতা, সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা; এসব বিষয়ে তারা কিছু পায়নি। সেজন্য তারা চুপ করে থাকার কৌশল নিয়েছে।দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের জনগণ সারাবিশ্বের খবর রাখে। সারাবিশ্বের সব খবর নিয়ে গ্রামে চায়ের দোকানে রীতিমতো গবেষণা হয়। মানুষ বোঝে এখানে সরকারের দোষ নেই। বিশ্বে যে সংকট দ্রব্যমূল্য নিয়ে সে দ্রব্যমূল্য বাংলাদেশের একার সমস্যা নয়। সারা দুনিয়াতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। পৃথিবীর একটা দেশ দেখান, যেখানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক অবস্থায় আছে। তবে আমাদের জনগণের ক্রয়ক্ষমতা এখনো আছে। আমরা আশা করি সামনের রমজানেও জিনিসপত্র পর্যাপ্ত থাকবে।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দীসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।